মালদ্বীপের জাতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা মালদিভিয়ান পুনরায় চালু করলো তাদের মালে -ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট। উদ্বোধনী ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার ভোর ৫:২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এসময় ঐতিহ্যবাহী ওয়াটার ক্যানন স্যালুটের মাধ্যমে মালে–ঢাকা–মালে সরাসরি ফ্লাইকে স্বাগত জানানো হয়।

উদ্বোধনী ফ্লাইট মালদিভিয়ান একটি এ ৩২০ মডেলের এয়ারবাস সম্পূর্ণ যাত্রী নিয়ে ঢাকা অবতরণ করে এবং একই দিন সকাল ৬:২০ মিনিটে পুনরায় ঢাকা থেকে মালের উদ্দেশে যাত্রা করে।

প্রাথমিকভাবে এই রুটে সপ্তাহে দুই দিন (রবিবার ও বৃহস্পতিবার) ফ্লাইট পরিচালিত হবে। রিটার্ন টিকিটের ভাড়া শুরু হচ্ছে ৩৯৯ মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৭,৮৮০ টাকা। যাত্রীরা ৩০ কেজি ব্যাগেজ সুবিধা এবং বিনামূল্যে অনবোর্ড খাবার পাবেন। টিকিট বুকিং এখন মালদিভিয়ানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং কল সেন্টার ১৬৭১-এর মাধ্যমে চালু রয়েছে।

বর্তমানে মালদিভিয়ানের বহরে রয়েছে ২৬টি উড়োজাহাজ—এর মধ্যে একটি ওয়াইড-বডি এয়ারবাস এ৩৩০, একটি ন্যারো-বডি এয়ারবাস এ৩২০, পাঁচটি এটিআর, আটটি ড্যাশ ৮ এবং এগারোটি ড্যাশ ৬ টুইন অটার বিমান—যেগুলো দিয়ে তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

২০১৯ সালে প্রকাশিত ৮টি স্টাডির উপর একটি সিস্টেমিক রিভিউ এর মতে বাংলাদেশে কিডনি রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ২২.৪৮ শতাংশ। ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে এই তথ্যকে সঠিক ধরে নিলে কিডনি রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৮২ লক্ষ এবং দ্রুত হারে এ সংখ্যা বাড়ছে।

এই রোগে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার রোগীর কিডনি বিকল হচ্ছে। নতুন রোগীদের প্রায় ৮০ শতাংশ রোগী প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে অথবা বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করছে। বর্তমানে এই রোগে মৃত্যুর স্থান অষ্টম এবং ২০৪০ সাল নাগাদ কিডনি রোগ মৃত্যুর কারণ হিসেবে পঞ্চম স্থান দখল করবে, যা মানুষের সুস্থ জীবন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“সুস্থ কিডনি সকলের তরে, মানুষের যত্নে বাঁচাও ধরণীরে” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হয়েছে বিশ্ব কিডনী দিবস।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর বি ব্লকের সম্মুখ প্রাঙ্গন বটতলা থেকে বিশ্ব কিডনী দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কিডনী রোগ সচেতনতামূলক র‌্যালি বের হয়েছে। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে।

র‌্যালিটির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম। এতে বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব ডা. মোঃ ফরহাদ হাসান চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ ডা. মোঃ আব্দুল মুকীত, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোঃ রেজাউল আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. শাহনেওয়াজ দেওয়ান, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ রেনাল এ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, বলেন, নীরবঘাতক কিডনী রোগের প্রতিরোধে জনসচেতনা সৃষ্টির বিকল্প নাই। কিডনী রোগ প্রতিরোধে ভেজাল খাবার খাওয়া যাবে না। ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নতুন নাটক নিয়ে হাজির হচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জি সিরিজ। ঈদের বিশেষ আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির ব্যানারে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘সাত দিন’। নাটকটি রচনা করেছেন অপূর্ণ রুবেল এবং পরিচালনা করেছেন পথিক সাধন।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন- শরাফ আহমেদ জীবন, রিয়া ঘোষ, রুবাউয়া এশা, ইন্দ্রানী নিশি, খোরশেদা আলম নিতু, সাইফুল ইসলাম শামীম, শেখ সেলিম, সূর্ঘসহ আরও অনেকে।

নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, নাটকটির গল্প আবর্তিত হয়েছে রাকিব ও শম্পা নামের এক দম্পতির জীবনকে কেন্দ্র করে। প্রেমের বিয়ে হওয়ায় বিয়ের পর দীর্ঘ সময় একে অপরকে ছাড়া থাকতে পারেনি তারা। বিয়ের চার বছর পার হলেও তাদের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা একই রকম রয়েছে।

গল্পে দেখা যাবে, একসময় রাকিবের মনে হয় নিজের মতো করে কিছু সময় কাটানো দরকার। এমন সময় শম্পা সাত দিনের জন্য বড় বোনের বাসায় যাওয়ার পরিকল্পনা করে। বাইরে থেকে মন খারাপের ভান করলেও ভিতরে ভিতরে বেশ খুশি হয় রাকিব। কারণ এই সময়টাতে সে নিজের মতো করে জীবন কাটানোর পরিকল্পনা করে।

এরপর শুরু হয় রাকিবের সাত দিনের নানা পরিকল্পনা। কখনো ঘুমিয়ে সময় কাটানো, কখনো পুরনো বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করা, আবার কখনো অফিস সহকর্মীর সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা-তবে প্রতিটি পরিকল্পনাই একের পর এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার কারণে ভেস্তে যায়।

পুরনো প্রেমিকার হঠাৎ স্বামীসহ হাজির হওয়া, সহকর্মীর সঙ্গে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়া, জুয়ায় অর্থ হারানো কিংবা বন্ধুর সঙ্গে ভ্রমণে যাওয়ার পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যাওয়া-সব মিলিয়ে রাকিবের সেই ‘স্বাধীন’ সাত দিন পরিণত হয় নানা হাস্যরসাত্মক বিপত্তিতে।

নাটকের শেষ দিকে এক ঘটনার জেরে পুলিশের হাতে আটকও হতে হয় রাকিবকে। খবর পেয়ে থানায় হাজির হন তার স্ত্রী শম্পা। এরপর কী ঘটে এবং এই সাত দিনের অভিজ্ঞতা রাকিবের জীবনে কী ধরনের পরিবর্তন আনে-সেই গল্পই উঠে এসেছে নাটকটিতে।

ব্রিটিশ কাউন্সিলকে আনুষ্ঠানিকভাবে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শিক্ষা উদ্যোগের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। উদ্যোগ দুটি হলো গ্লোবাল এডুকেশন কোয়ালিশন এবং ইন্টারন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স অন টিচার্স ফর এডুকেশন ২০৩০।

এই সদস্যপদ বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শিক্ষাখাতে সংস্কার, সমতা ও উদ্ভাবনের প্রতি ব্রিটিশ কাউন্সিলের অঙ্গীকারকে আরও সুসংহত করেছে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত শিক্ষা (ইংরেজি ভাষা শিক্ষা) নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের নীতিনির্ধারণ ও অংশীদারত্বে তাদের ভূমিকা আরও জোরালো হবে।

এই জোটের সদস্য হিসেবে ব্রিটিশ কাউন্সিল নিজেদের অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জোটের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখবে—যাতে দেশগুলো একটি সহনশীল ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।
বর্তমানে এই জোটে সরকার, বহুপাক্ষিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি খাতসহ ২০০–এর বেশি অংশীদার রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কোরিয়ান ভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান B & F Company-এর সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ) নগর ভবনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালামের সাথে উক্ত প্রতিষ্ঠানের কারিগরি দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে ‘ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক’ (DRCP) নির্মাণের বিস্তারিত মাস্টারপ্ল্যান উপস্থাপন করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১০৯.২৪ বর্গ কি.মি. এলাকায় প্রতিদিন গড়ে ৩২০০-৩৫০০ টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। বর্তমানে অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জনসংখ্যার আধিক্যের কারণে সীমিত জনবল ও বাজেটের মাধ্যমে শতভাগ পরিচ্ছন্ন সেবা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে চারটি মূল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: ‘সার্কুলার ফিউচার মডেল’ বাস্তবায়ন, অঞ্চলভিত্তিক ‘মেটেরিয়াল রিকভারি সেন্টার’ (MRF) স্থাপন, ‘থ্রি আর’ (Reduce, Reuse, Recycle) নীতির প্রয়োগ এবং বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সরকারের এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

প্রস্তাবিত মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলের পুরাতন ১০০ একর জায়গা থেকে ল্যান্ডফিল গ্যাস আরোহন করা হবে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এখান থেকে বছরে ১৫,০০০ টন মিথেন সংগ্রহের মাধ্যমে ৮১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এবং সৌরশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আরও ২৮,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া পাইলট ভিত্তিতে স্থাপিত MRF সেন্টারে দৈনিক ৩০০ টন গৃহস্থালী বর্জ্য ব্যবহার করে বায়োগ্যাস, কম্পোস্ট, বায়োফুয়েল, ইকো-ব্রিকস এবং BSF (Black Soldier Flies) ও SRF (Solid Refused Fuel) উৎপাদন করা হবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাৎসরিক ৫,১৫,০০০ টন কার্বন নিঃসরণ (tCO2e) হ্রাস করা সম্ভব হবে। এটি বৈশ্বিক উষ্ণায়ন লাঘবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দৈনিক উৎপাদিত সম্পূর্ণ বর্জ্যকে (৩২০০-৩৫০০ টন) মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করা সম্ভব হবে। এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং ঢাকাকে একটি ‘ক্লিন সিটি ও গ্রিন সিটি’ তে পরিণত করবে।

প্রথমবারের মতো পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সংগঠন ইকো কেয়ার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদের এলডি প্লাজায় এ আয়োজন করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মাওলা।

এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বোরহান উদ্দিন কলেজের প্রভাষকরা অংশ নেন। এছাড়া বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাসহ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান অতিথি কানিজ মাওলা বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার জন্য আগে নিজ বাড়ী, গ্রাম, শহর থেকে কার্যক্রম শুরু করতে হবে। খাবার ও পানি অপচয় করাও পরিবেশ নষ্টের একটি অংশ।

ইফতার শেষে এলডি হল আঙ্গিনায় একটি আমের গাছ লাগানো হয়।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে মাসব্যাপী জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৮ জুলাই) প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেসিস্টেন্স ডে’-তে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সন্ধ্যা ০৬ টায় রাজধানীর হাতিরঝিল অ্যাম্পিথিয়েটারে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, জুলাইয়ের গান ও ড্রোন শো প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

অনুষ্ঠানে ‘ হিরোস উইদাউট কেপস: প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ইন জুলাই’ ‘ইউ ফেইলড টু কিল আবরার ফাহাদ’, চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

এরপর জুলাইয়ের গান গেয়ে শোনান শিল্পী সেজান, তাশফি ও সানি এবং ব্যান্ডদল- রেপার কালেক্টিভ ও আর্টসেল।

জুলাইয়ের গান শেষে প্রদর্শিত হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও প্রিলিউডভিত্তিক মনোমুগ্ধকর ‘ড্রোন শো’।

অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, কর্মকর্তাসহ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

নারী, মহাবিশ্ব, তার অন্তহীন অসীমতা, লিটন করের ক্যানভাসে আত্মার রেখাচিত্র।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) থেকে ঢাকার আঁলিয়াস ফ্রসেসে শুরু হয়েছে শিল্পী লিটন করের একক চিত্র প্রদর্শনী। এদিন বিকেল সাড়ে ৫টায় এই বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়।

এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঁলিয়স ফ্রঁসেজ ঢাকার পরিচালক ফ্রঁসোয়া ঘ্রোজ, প্রফেসর ও শিল্পী ফরিদা জামান, সিটি ব্যাংকের এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ অপারেটিং অফিসার মাহিয়া জুনেদ, মারুখ মহিউদ্দিন, নিশাত মজুমদার।

‘নারী, মহাবিশ্ব – তার অন্তহীন অসীমতা’ এই শিরোনামে প্রদর্শনীটি ২৬ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায় লিটন করেরে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আইসিইউ’ এর প্রদর্শনীও থাকবে।

লিটন কর জানান, তেল রঙের ২৫টি চিত্রকর্ম এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে।

‘পরিবেশ সংরক্ষণ আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম। ক্রমাগত পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত এই বিষয়টির প্রতি বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন।

১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত স্টকহোম কনফারেন্স অন হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট এর মধ্য দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে আন্তজাতিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রমের সূচনা হয়। ১৯৭২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত আর্থ সামিটের মাধ্যমে এই প্রচেষ্টার একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হয়।

বৈশ্বিক পরিবেশগত সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ স্থানীয় ও আঞ্চলিক সমস্যার শিকার। বাংলাদেশ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এবং মানুষের দ্বারা সৃষ্ট উভয় পরিবেশগত সমস্যার মুখোমুখি। অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।বাংলাদেশ যে সকল পরিবেশগত সমস্যার মুখোমুখি  হচ্ছে তা হল: বন উজাড়, পানি দূষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জমির অবক্ষয়, লবণাক্ততা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, অপরিকল্পিত পয়ঃনিষ্কাশন ও শিল্পবর্জ্য নিষ্কাশন ইত্যাদি।

১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্স অন হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট এর পরপরই বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে প্রথম পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্যোগ  গ্রহণ করা হয়। স্টকহোম সম্মেলনের ফলোআপ পদক্ষেপ হিসেবে, বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ২৭ জন জনবল দিয়ে পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করে এবং পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৭৩ জারি করে । পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রমের মাধ্যমে ইহা বর্তমান পর্যায়ে উপনীত হয় ।


১৯৭৭ সালে, পরিকল্পনা কমিশনের একজন সদস্যের নেতৃত্বে ১৬ জন সদস্য নিয়ে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড এবং ২৬ জন জনবলসহ একজন পরিচালকের নেতৃত্বে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সেল প্রতিষ্ঠিত হয়।

পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ১৯৮৯ সালে দূষণ নিয়ন্ত্রণ সেল ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প সমন্বিত করে  মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর  নামে পূর্নগঠন করা হয় । পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত থাকলেও ইহার অফিস কেবল মাত্র বিভাগীয় সদরে অবস্থিত ছিল।

পরবর্তীতে ২০০৯ সালে ২১টি জেলায় এবং ২০১৯ সালে সকল জেলায় কার্যালয় স্থাপনের নিমিত্তে সাংগঠনিক কাঠামোর অনুমোদন পায় এবং কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদিত জনবলের সংখ্যা ১১৩৩।’

সূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সপ্তাহব্যাপী প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ই জুলাই) এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। এ কর্মসূচির আওতায় ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হলে ১৫ই জুলাই থেকে ২১শে জুলাই পর্যন্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে।

সপ্তাহব্যাপী এই প্রদর্শনীর প্রথম দিনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) প্রযোজিত ‘সময়ের বীর শহিদ তানভীর’ এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ নির্মিত ‘দ্য মনসুন রেভুলেশন’ প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীতে গ্লোবাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় ২০০ জন উপস্থিত ছিলেন।

প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গণঅভ্যুত্থানকেন্দ্রিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করার জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

ইবি/একে