মন্ত্রিসভার সদস্যরা ‘দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ১৯৭৫’ এবং ‘দ্য মিনিস্টারস, মিনিস্টার অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন, ১৯৭৫’ অনুসারে বেতন-ভাতা ও সুবিধা পাবেন।
এই আইনগুলো সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংশোধিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মাসিক বেতন ১,১৫,০০০ টাকা, যার সঙ্গে বাসভবন ভাড়া (যদি নিজের বাড়িতে থাকেন) ১,০০,০০০ টাকা, দৈনিক ভাতা ৩,০০০ টাকা, ভ্রমণ, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সুবিধা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় বাসভবন সজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণ সরকার বহন করে।
বিএনপি ইতিমধ্যে এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি শক্তিশালী বার্তা।
মন্ত্রীদের ক্ষেত্রে বেতন ১,০৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের জন্য যথাক্রমে ৯২,০০০ ও ৮৬,৫০০ টাকা। এছাড়া দৈনিক ভাতা, যাতায়াত, বাসভবন ও অন্যান্য সুবিধা রয়েছে। এই সুবিধাগুলো রাষ্ট্র পরিচালনায় নির্বিঘ্নতা নিশ্চিত করার জন্য আইনি কাঠামোয় রাখা হয়েছে। তবে জনগণের মধ্যে এসব সুবিধা নিয়ে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে যখন বিএনপি স্বচ্ছতা ও সরল জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মন্ত্রিসভা গঠন দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, দুর্নীতি দমন ও যুবকদের কর্মসংস্থানের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রথম ধাপ। তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার কীভাবে জুলাই সনদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন করবে, তা আগামী দিনগুলোতে স্পষ্ট হবে।
নতুন সরকার যদি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। জনগণ এখন অপেক্ষায়—কথা থেকে কাজের দিকে যাত্রা কতটা সফল হবে।


