ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে আজ রাতে এক ঐতিহাসিক থ্রিলারের সাক্ষী হয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারত ইংল্যান্ডকে মাত্র ৭ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে। মোট ৪৯৯ রানের এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছে।
ভারত প্রথমে ব্যাট করে ২৫৩/৭ স্কোর করে, যা বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সর্বোচ্চ। জবাবে ইংল্যান্ড ২৪৬/৭-এ থেমে যায়। সঞ্জু স্যামসনের ৪২ বলে ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠে।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে পৌঁছাল। ২০২৪-এর চ্যাম্পিয়নরা এখন আহমেদাবাদে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। ওয়াংখেড়ের এই ম্যাচ ছিল রানের উৎসবের মতো। ৩৪টি ছক্কা এবং অসংখ্য চারে ভরা এই লড়াইয়ে দুই দলই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের ডেথ বোলাররা—জসপ্রিত বুমরাহ, হার্দিক পান্ডিয়া—নার্ভ ধরে রেখে জয় ছিনিয়ে নেয়।
ইংল্যান্ড টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। ভারতের ওপেনিং জুটি দ্রুত ভেঙে যায়, কিন্তু সঞ্জু স্যামসন ঝড় তুলে দেন। ১৫ রানে জীবন পেয়ে তিনি ১২টি চার ও কয়েকটি ছক্কায় ৮৯ রান করেন। শিবম দুবে ৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। শেষদিকে হার্দিক ও তিলক ভার্মার ক্যামিও ভারতকে ২৫০ পার করায়। উইল জ্যাকস ২/৪০ নিলেও ইংল্যান্ডের বোলাররা চাপ সামলাতে পারেনি।
জবাবে ইংল্যান্ডের চেজিং শুরু হয় জোস বাটলার ও ফিল সল্টের আক্রমণে। কিন্তু বুমরাহ ও হার্দিকের স্পেলে তারা ধাক্কা খায়। জ্যাকব বেথেলের ১০৫ রানের সেঞ্চুরি (দ্রুততম বলে) ম্যাচকে রোমাঞ্চকর করে তোলে। শেষ ওভারে ৩০ রান দরকার ছিল, জোফরা আর্চার দুটি ছক্কা মারলেও শিবম দুবের ওভারে ২২ রান উঠে ভারত ৭ রানে জয় পায়।


