শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট সম্পন্ন হওয়ায় সমগ্র জাতিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে তিনি এই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণকে ‘নতুন বাংলাদেশের জন্মদিন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আজ বৃহস্পতিবার সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় নির্বাচন ও বহুচর্চিত গণভোট। দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস এক বিশেষ বার্তায় দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “আজকের এই দিনটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছে যে, এ দেশের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় কতটা সজাগ।”
এবারের নির্বাচন ছিল গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ব্যতিক্রমী। প্রথমবারের মতো ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাররা কেবল প্রার্থী নির্বাচনই করেননি, বরং দেশের ভবিষ্যৎ শাসনতন্ত্র ও সংস্কারের রূপরেখা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়েও নিজেদের রায় দিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে গণতন্ত্রের প্রতি জাতির অটুট অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বিবৃতিতে প্রফেসর ইউনূস নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি পক্ষকে আলাদাভাবে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ এবং প্রার্থীদের চরম ধৈর্য ও সংযম পালনের প্রশংসা করেন তিনি। তিনি উল্লেখ করেন, “রাজনৈতিক দলসমূহ ও প্রার্থীদের এই ইতিবাচক মনোভাবই একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করেছে। এটিই আমাদের প্রত্যাশিত নতুন বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি।”


