ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ঠিক আগের সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। তিনি সব রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন—নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন তা শান্তিপূর্ণভাবে মেনে নিতে এবং দেশে শান্তি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখতে।

জাতীয় টেলিভিশন ও রেডিওতে সরাসরি সম্প্রচারিত এই ভাষণে সিইসি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচন মানেই প্রতিযোগিতা, আর প্রতিযোগিতার পরিণতি হলো জয়-পরাজয়। এই জয়-পরাজয়কে সবাইকে মেনে নিতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র।” তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো দল বা প্রার্থীর জন্য ফলাফল অগ্রহণযোগ্য মনে হলেও আইনি পথে অভিযোগ উত্থাপনের সুযোগ রয়েছে, কিন্তু রাস্তায় নেমে সহিংসতা বা অশান্তি সৃষ্টি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ভাষণে নাসির উদ্দিন স্মরণ করিয়ে দেন যে, গত কয়েক বছরে দেশ একাধিক রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে। জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করার এই প্রথম বড় পরীক্ষা। তাই এই নির্বাচনকে শুধু ভোটের প্রতিযোগিতা নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখতে হবে।

তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, আগামীকালের ভোটে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—একদিকে ৩০০ আসনের সংসদ নির্বাচন, অন্যদিকে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর আলোকে প্রস্তাবিত সাংবিধানিক সংস্কারের ওপর গণভোট। এই দুটি প্রক্রিয়ার ফলাফল দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামোকে দীর্ঘমেয়াদে প্রভাবিত করবে। তাই ভোটারদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সিইসি বলেন, “আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, নির্বাচন কর্মকর্তা—সবাইকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় দায়িত্ব আপনাদের—ভোটার, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া কোনো নির্বাচনই সফল হয় না।”

তিনি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় শান্তিপূর্ণ আচরণ, কেন্দ্রের বাইরে অপ্রয়োজনীয় ভিড় না করা, কোনো ধরনের হুমকি বা প্রভাব বিস্তার না করা এবং ফলাফল ঘোষণার পরও ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

নির্বাচনী আবহে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহনের বৈধতা নিয়ে নিজের দেওয়া বক্তব্য ভুলভাবে গণমাধ্যমে উপস্থাপিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক জরুরি ব্রিফিংয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তার বক্তব্যকে ‘মিসকোট’ করা হয়েছে, যা তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত মর্যাদাহানি ঘটিয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কতিপয় সংবাদপত্রে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, ইসি সচিব বলেছেন—বৈধ খাত দেখাতে পারলে নির্বাচনের আগে ৫ কোটি টাকা বহনেও কোনো আইনি বাধা নেই। এই মন্তব্য নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার ঝড় উঠলে আজ কঠোর ভাষায় এর প্রতিবাদ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বেশ কড়া সুরে বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার একটি বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভুল প্রেক্ষাপটে এবং বিকৃতভাবে প্রচার করা হয়েছে। ‘৫ কোটি টাকা বহন করলেও বাধা নেই’—এমন কোনো দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য আমি করিনি। এই ধরনের অপপ্রচার কেবল আমার জন্য অপমানজনক নয়, বরং পুরো নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। আপনাদের (সাংবাদিকদের) মাধ্যমে দেশবাসীকে জানাতে চাই, আইন অনুযায়ী নগদ অর্থ বহনের নির্দিষ্ট সীমা এবং নিয়ম রয়েছে। আমি সেই নিয়মের বাইরে কোনো কথা বলিনি। অনুগ্রহ করে এই ধরনের সংবেদনশীল সময়ে কোনো ভিত্তিহীন অপতথ্য ছড়াবেন না।”

উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াত নেতার বিপুল অর্থসহ আটক হওয়া এবং দেশজুড়ে নির্বাচনী কালো টাকা ব্যবহারের আশঙ্কার মধ্যেই ইসি সচিবের পূর্ববর্তী একটি বক্তব্যের খণ্ডিতাংশ ভাইরাল হয়। সচিব জানান, তিনি মূলত বৈধ ব্যবসার লেনদেন এবং যথাযথ নথিপত্র থাকার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলছিলেন। কিন্তু সেটিকে রাজনৈতিক মোড়ক দিয়ে ‘৫ কোটি টাকার ছাড়পত্র’ হিসেবে প্রচার করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে এমন যেকোনো নগদ লেনদেন বা অর্থ পরিবহন নিষিদ্ধ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রতিটি চেকপোস্টে কড়াকড়ি আরোপ করেছে।

আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সাংবিধানিক গণভোট। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হলে দেশের সংসদীয় কাঠামোয় আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন—এককক্ষের পরিবর্তে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদ গঠিত হবে, যার মধ্যে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ যুক্ত হবে। ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের এই প্রস্তাব জনগণের সরাসরি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

একটি ভোটের মাধ্যমে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত—সংসদ সদস্য নির্বাচন এবং সংবিধান সংশোধনের ভবিষ্যৎ। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের হাতে এখন দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। গণভোটে দুটি ব্যালট পেপার থাকবে: একটি সাদা (সংসদ নির্বাচনের জন্য) এবং অন্যটি গোলাপি (গণভোটের জন্য)। গোলাপি ব্যালটে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বেছে নেবেন জুলাই সনদের প্রস্তাবিত সংস্কারের পক্ষে-বিপক্ষে।

জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ তৈরি হয়। এতে স্বৈরাচার প্রতিরোধ, গণতন্ত্রের শক্তিশালীকরণ এবং ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বেশ কিছু প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হলো দ্বিকক্ষ সংসদ ব্যবস্থা চালু। বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এককক্ষবিশিষ্ট। ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত আসন এবং ৫০টি নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন নিয়ে এটি চলে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে এই কাঠামোয় যুক্ত হবে একটি উচ্চকক্ষ।

উচ্চকক্ষে থাকবে ১০০টি আসন। এগুলো সরাসরি নির্বাচিত হবে না। বরং সংসদ নির্বাচনে দলগুলো যে ভোট পাবে, তার আনুপাতিক হারে (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) আসন বণ্টন করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো দল ৩০ শতাংশ ভোট পায়, তাহলে উচ্চকক্ষে তারা পাবে ৩০টি আসন। এই ব্যবস্থা ছোট দলগুলোকেও প্রতিনিধিত্ব দেবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—সংবিধান সংশোধনের জন্য নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের পাশাপাশি উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতাও লাগবে। ফলে একক দলের একচ্ছত্র ক্ষমতা কমে আসবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

গণভোটের অন্যান্য প্রধান প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর (দুই মেয়াদ) সীমাবদ্ধ করা এবং নারীদের সংরক্ষিত আসন ধাপে ধাপে বাড়ানো। এসব পরিবর্তনের লক্ষ্য—ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও জবাবদিহিমূলক করা।

নির্বাচনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকতে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় দাবি, এটি নির্বাচনের ঠিক আগে বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙার একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা।

আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “ঠাকুরগাঁও জেলা আমির একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী। তাঁর কাছে থাকা অর্থ সম্পূর্ণভাবে ব্যবসায়িক। এয়ারপোর্টের মতো একটি উচ্চ নিরাপত্তা বেষ্টিত জায়গায় যেখানে প্রতিটি পদক্ষেপ সিসিটিভি ক্যামেরায় নিয়ন্ত্রিত, সেখানে এ ধরনের নাটক সাজানো হাস্যকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

বুধবার দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে প্রায় অর্ধকোটি (মতভেদে ৬০ থেকে ৭৪ লাখ) টাকাসহ বেলাল উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, নির্বাচনী মাঠে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের জন্য এই টাকা নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে জুবায়ের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, “একজন শিক্ষক ও ব্যবসায়ীর কাছে টাকা থাকা কি অপরাধ? তিনি ঢাকা থেকে ব্যবসায়িক লেনদেন শেষে নিজ এলাকায় ফিরছিলেন। প্রশাসন একটি বিশেষ মহলের প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে আসার পর বাইরে তাঁকে এভাবে আটক করা প্রমাণ করে যে, এটি আগে থেকেই তৈরি করা কোনো চিত্রনাট্যের অংশ। জুবায়েরের মতে, নির্বাচনের আগমুহূর্তে জামায়াত ও সহযোগী দলগুলোর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতেই এই ‘টাকা উদ্ধারের গল্প’ সাজানো হয়েছে।

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। কাল সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাংবিধানিক গণভোট। দেশজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। প্রার্থীদের পোস্টার-ব্যানারে ঢাকা দেয়াল, ডিজিটাল স্ক্রিনে ঝলমলে প্রতিশ্রুতি, রাস্তায় রাস্তায় লিফলেট আর স্লোগান। ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর এই নির্বাচনকে অনেকে বলছেন ‘দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র’ গড়ার প্রথম সত্যিকারের পরীক্ষা।

১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি আসনে ভোট হবে (শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত)। সঙ্গে চলবে জুলাই চার্টারের সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে গণভোট। নির্বাচন কমিশন বলছে, মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখেরও বেশি। এর মধ্যে নারী ভোটার প্রায় ৬ কোটি ২৯ লাখ। প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারও রয়েছে।

দেশের রাজনৈতিক মানচিত্র এখন বদলে গেছে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট, জামায়াত-ই-ইসলামি, ছাত্র-জনতার নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ ৫১টি দলের ২০৩৪ জন প্রার্থী লড়ছেন। অনেক আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীও শক্তিশালী।

এই নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের নয়, সংবিধান ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কারেরও। গণভোটে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ বলবেন জুলাই চার্টারের প্রস্তাবিত সংস্কারে—যার মধ্যে রয়েছে নির্বাচনী ব্যবস্থা, সংসদ, নির্বাচন কমিশন ও বিচার বিভাগের বড় ধরনের পরিবর্তন।

আপনার ভোটকেন্দ্র কোথায়? জেনে নিন ঘরে বসেই ৪ সহজ উপায়ে

নির্বাচন কমিশন এবার ভোটারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। চারটি পদ্ধতিতে মুহূর্তের মধ্যে জানা যাবে আপনার ভোটকেন্দ্র, ভোটার নম্বর ও সিরিয়াল।

১. স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট বিডি অ্যাপ গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘Smart Election Management BD’ ডাউনলোড করুন। ন্যাশনাল আইডি (১০ বা ১৭ ডিজিট) ও জন্মতারিখ দিন। দেখবেন আপনার ভোটার নম্বর, কেন্দ্রের নাম, ঠিকানা, ছবি, ম্যাপ, দূরত্ব—সবকিছু। জিপিএস দিয়ে নেভিগেশনও পাবেন।

২. ইসি ওয়েবসাইট ecs.gov.bd-এ যান। ‘Polling Station’ অপশনে NID, জন্মতারিখ ও ক্যাপচা দিন। তথ্য চলে আসবে।

৩. হটলাইন ১০৫-এ কল ১০৫ নম্বরে ফোন করুন। অপারেটর আপনার NID জিজ্ঞাসা করে তথ্য দেবেন।

৪. ১০৫-এ এসএমএস ‘PC’ স্পেস দিয়ে আপনার NID লিখে ১০৫-এ পাঠান। রিপ্লাইতে চলে আসবে ভোটার নম্বর ও কেন্দ্রের বিস্তারিত।