বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এবারের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সন্ত্রাসমুক্ত এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট প্রদানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা জানান। এই নির্বাচন ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর প্রথম, যা দেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি মাইলফলক।
ডা. শফিকুর রহমানের এই মন্তব্য এসেছে এমন এক সময়ে যখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের ছাত্র-আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে, এবং এখন দেশে একটি অস্থায়ী সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামী, যা পূর্ববর্তী সরকারের সময় নিষিদ্ধ ছিল, এখন একটি প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে উঠে এসেছে। ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটি ১১-দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যার মধ্যে জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন্স পার্টিও রয়েছে।
ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. শফিকুর বলেন, “সুষ্ঠু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে ফলাফল আসবে, সেটি সবাই মেনে নেবে। ভোট যদি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়, আমরা সেই ফল মেনে নেব। অন্যদেরও তা মানতে হবে। এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।” তাঁর এই কথা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতি একটি ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে অভিযোগ উঠেছে জালিয়াতি এবং সহিংসতার, কিন্তু এবারের নির্বাচনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রায় ১২৭ মিলিয়ন ভোটারের মধ্যে উচ্চ ভোটদানের হার দেখা গেছে, যা গণতন্ত্রের প্রতি জনগণের আস্থা প্রকাশ করে।


