সময় বাড়বে এমন প্রত্যাশা পূরণ আর হলো না। শেষ হচ্ছে পূর্বাচলে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৩। আরও সাত দিন মেলার সময় বাড়ানোর দাবি করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে মেলার সময়সীমা বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

আজ (৩১ জানুয়ারি) মঙ্গলবার সমাপণী অনুষ্ঠান। ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যমেলার সময় বাড়ানোর দাবি জানালেও বাড়ানো হচ্ছে না মেলার সময়। বিকাল ৪টায় সমাপণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বাণিজ্যমেলা। 

ফাইল ছবি

এদিকে শেষ দিনে অন্তত সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। উপচে পড়া ভিড়ে অন্যান্য দিনের তুলনায় বিক্রিও দ্বিগুণ হযবে, বলছেন ব্যবসায়ীরা।

গতবার প্রথমবারের মতো আয়োজনে কিছুটা অগোছালো থাকলেও এবার অনেকটা ভালো লেগেছে দর্শনার্থীদের।

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেশোয়ারে মসজিদে ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলা অন্তত ৪৪ জন নিহত ও দেড় শতাধিক আহত হয়েছেন। আর এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। এ ঘটনায় খবর জিও নিউজের।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ি, সোমবার (৩০ জানুয়ারি) পেশোয়ারের পুলিশ লাইনস এলাকায় একটি মসজিদের ভেতরে নামাজের সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। হামলায় মসজিদের একটি অংশ ধসে গেছে।

আহতদের পেশোয়ারের লেডি রিডিং হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল অবস্থান করছে।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মসজিদে জোহরের নামাজের সময় সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন আত্মঘাতী হামলাকারী। সেখানে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

দেশটির সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নিহত টিটিপি কমান্ডার উমর খালিদ খুরাসানির ভাই মোহমান্দ। গত বছরের আগস্টে আফগানিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর এক অভিযানে নিহত হন উমর খালিদ। ভাইকে হত্যার প্রতিশোধ নিতেই পেশোয়ারের মসজিদে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন তালেবানের কমান্ডার সারবাকাফ মোহমান্দ।


তবে এ হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে জঙ্গিগোষ্ঠীটির প্রধান মুখপাত্রের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানি তালেবানের কমান্ডার সারবাকাফ মোহমান্দ টুইটারে দেয়া এক বার্তায় পেশোয়ারে মসজিদে হামলার দায় স্বীকার করেন।

বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি বা ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি, এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের জনপ্রিয় ও বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ব্যাংক মিতস্যুবিশি ইউএফজি ফাইন্যান্সিয়াল গ্রুপ বা এমইউএফজি ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের বৈদেশিক বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান গৌরব ভাগাতের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন এমইউএফজি সিঙ্গাপুর শাখার উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এন্ড্রিউ রোথারি, মার্টিন ফ্রান্সিস প্রমুখ।

বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে আগামি দিনগুলোতে বাংলাদেশে আরও বেশি কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রতিনিধি দল।

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতগুলো উল্লেখ করার পাশাপাশি এসব খাতে বিনিয়োগের জন্য এমইউএফজি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান এফবিসিসিআই এর ব্যবসায়িক নেতারা।

এসময় বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার সহযাত্রী হতে এদেশে এমইউএফজি ব্যাংকের শাখা চালু করার আহ্বান জানান তারা।

এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুর নেতৃত্বে বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি মোঃ আমিন হেলালী, পরিচালক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, শমী কায়সার, ড. নাদিয়া বিনতে আমীন, সৈয়দ সাদাত আলমাস কবীর, আবুল কাসেম খান, আবু হোসেন ভুঁইয়া (রানু), বারভিডা’র মহাসচিব মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়াতে চায় ল্যাটিন অ্যামেরিকার দেশ মেক্সিকো। অটোমোবাইল, ফার্মাসিউটিক্যাল, কেমিক্যাল এবং ফিনটেক খাতে বড় সম্ভাবনা দেখছে উভয় দেশ।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের নয়া দিল্লীতে অবস্থিত মেক্সিকো দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ফেডেরিকো সালাস লৎফে। এ সময় তিনি উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৈচিত্রকরণের ওপর গুরুত্ব দেন।

মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বৈচিত্রকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ-মেক্সিকো অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অটোমোবাইল, ফার্মাসিউটিক্যাল, কেমিক্যাল, ফিনটেক প্রভৃতি খাতে বড় সম্ভাবনা দেখছে মেক্সিকো।”

মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত বলেন, ”বৈশ্বিক অটোমোবাইল বাজারের অন্যতম যোগানদাতা হলো মেক্সিকো। অটোমোবাইল শিল্পে মেক্সিকোর অভিজ্ঞতা এবং প্রযুক্তি বাংলাদেশের সাথে বিনিময়ে আগ্রহী আমরা। আশাকরি এটি হবে একটি ভালো উদ্যোগ।” বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদেরও মেক্সিকোতে ব্যবসা স্থাপনের আহ্বান জানান ফেডেরিকো সালাস লৎফে।

বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে মেক্সিকোর ব্যবসায়ীদের এফবিসিসিআই সব ধরণের সহযোগিতা করবে বলেও জানান মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।


এই বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই’র পরিচালক সৈয়দ সাদাত আলমাস কবীর, এস. এম. শফিউজ্জামান, আবু হোসেন ভূঁইয়া রানু, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হকসহ প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্যরা।

চলতি বছর অনেক চ্যালেঞ্জিং। এজন্য ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের রমজানে পণ্য বেচাকেনায় সহনশীল থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, কোন পণ্যের দাম বেশি হলে তা কিনতেই হবে এমন মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে ক্রেতাদের। তাহলে পণ্যের দাম নিয়ে কোন অরাজতকা হবে না।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) কারওয়ানবাজারে ভোক্তা অধিদফতর আয়োজিত ফল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক মত বিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্দরে আসা কন্টেইনার দ্রুত খালাস না হলে অস্থির হবে বাজার।

রমজানে পণ্য দামে কম রাখার দাবি জানিয়েছেন এফবিসিসিআই পরিচালক মো. হারুনর রশিদ। তিনি বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে এলসিসহ সব জটিলতা নিরসনে আগেই নির্দেশনা দেয়া আছে। সাপ্লাই চেন ঠিক থাকলে সমস্যা হবে না। তবে রোজার আগে দাম বেড়ে যাওয়া কোনভাবেই ঠিক না।

এছাড়াও আমদানি পণ্য সহ দেশিও পণ্যের দামও এখন থেকেই দাম মনিটরিংয়ের পরামর্শ দেন ভোক্তা কণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান।

ডলারের ও তেলের দামের প্রভাব সব খাতেই। তবে এটি অজুহাত দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম না বাড়ানো যাবে না জানিয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিজুজ্জামান। তিনি বলেন, এবার রমজানে ৪০ হাজার মেট্রিক টন খেজুরের চাহিদার মধ্যে ১০ হাজার টন খেজুর টিসিবি কিনেছে। বাকি ৩০ হাজার মেট্রিক টন খেজুর সরবরাহ করবে ব্যবসায়ীরা।

সভায় ভোক্তাকণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, দেশে যে পরিমাণ ফল বন্দরে খালাসের অপেক্ষায়, তা দ্রুত খালাস করা। অন্যাথায় দাম অনিয়ন্ত্রিত হবে। ফলসহ অন্যান্য ফলের বাজারও মনিটরিং করতে হবে। ভ্যানে ফল বিক্রিতে যে চাদা নেয়া হয়, তা বন্ধ করতে পারলে কম দামে ফল কিনতে পারবে ভোক্তারা।

মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর কোথাও থাকলে তা ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানানোর জন্য বলেন ব্যবসায়ীদের- ভোক্তা অধিদফতর পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

বিদেশি ফল আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি, ফল সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ, দেশে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জের দেয়াসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বিগত বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী রমজানে শুধু খেজুরই প্রয়োজন হয় ৪০ হাজার মেট্রিক টন। চাহিদা পূরণে ডলারসহ নানা সংকটের মধ্যেও জটিলতা কমেছে এলসিতে। তবে আগেভাগে আমদানি ঋণপত্র খুলতে না পারায় সময়মতো বাজারে খেজুরসহ অন্যান্য ফল সরবরাহ নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। তবে সঠিক সময়ে বন্দরে খালাস কার্যক্রম ঠিক থাকলে সমস্যা কেটে যাবে মলে মনে করেন ব্যবসায়িরা।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) কারওয়ানবাজারে ভোক্তা অধিদফতর আয়োজিত ফল আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক মত বিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্দরে আসা কন্টেইনার দ্রুত খালাস না হলে অস্থির হবে বাজার।

ফাইল ছবি

রমজানে পণ্য দামে কম রাখার দাবি জানিয়েছেন এফবিসিসিআই পরিচালক মো. হারুনর রশিদ। তিনি বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে এলসিসহ সব জটিলতা নিরসনে আগেই নির্দেশনা দেয়া আছে। সাপ্লাই চেন ঠিক থাকলে সমস্যা হবে না। তবে রোজার আগে দাম বেড়ে যাওয়া কোনভাবেই ঠিক না।

এছাড়াও আমদানি পণ্য সহ দেশিও পণ্যের দামও এখন থেকেই দাম মনিটরিংয়ের পরামর্শ দেন ভোক্তা কণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান।

ডলারের ও তেলের দামের প্রভাব সব খাতেই। তবে এটি অজুহাত দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম না বাড়ানো যাবে না জানিয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিজুজ্জামান। তিনি বলেন, এবার রমজানে ৪০ হাজার মেট্রিক টন খেজুরের চাহিদার মধ্যে ১০ হাজার টন খেজুর টিসিবি কিনেছে। বাকি ৩০ হাজার মেট্রিক টন খেজুর সরবরাহ করবে ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন, চলতি বছর অনেক চ্যালেঞ্জিং। এজন্য ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের রমজানে পণ্য বেচাকেনায় সহনশীল থাকার পরামর্শও দেন তিনি। বিদেশি ফল আমদানিতে শুল্ক বৃদ্ধি, ফল সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ, দেশে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে জের দেয়াসহ বিভিন্ন নির্দেশনা দেয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সভায় ভোক্তাকণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, দেশে যে পরিমাণ ফল বন্দরে খালাসের অপেক্ষায়, তা দ্রুত খালাস করা। অন্যাথায় দাম অনিয়ন্ত্রিত হবে। ফলসহ অন্যান্য ফলের বাজারও মনিটরিং করতে হবে। ভ্যানে ফল বিক্রিতে যে চাদা নেয়া হয়, তা বন্ধ করতে পারলে কম দামে ফল কিনতে পারবে ভোক্তারা।

মেয়াদোত্তীর্ণ খেজুর কোথাও থাকলে তা ভোক্তা অধিদপ্তরকে জানানোর জন্য বলেন ব্যবসায়ীদের- ভোক্তা অধিদফতর পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

বাংলাদেশি ওমরাযাত্রীদের হারিয়ে যাওয়া বন্ধে পদক্ষেপ নিতে ও সচেতনতা বাড়াতে সহযোগিতা চেয়েছেন সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশ হজ অফিসের কাউন্সিলর জহিরুল ইসলাম। এ ক্ষেত্রে তিনি কিছু সুপারিশও তুলে ধরেন। গত বছর ওমরাহ পালন করতে গিয়ে ১২৩ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। অসংখ্য ওমরাযাত্রী সৌদি আরবে হারিয়েও গেছেন।

এসব বিষয়ে কাজ করার জন্য সক্ষমতা বাড়াতেও সহযোগিতা চান তিনি। গত ২৩ জানুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

এতে বলা হয়, ‘১৪৪৩ (২০২২ সাল) হিজরি সনের হজ পরবর্তী সময়ে পবিত্র ওমরা পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে অতীতের যে কোনে সময়ের তুলনায় বেশি সংখ্যক মুসলিম সৌদি আরব যাওয়ার সুযোগ পান। বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশ থেকেও ব্যাপকহারে ওমরাযাত্রী সৌদিতে যান। ফলে হারাম এলাকা এবং হারাম সংলগ্ন এলাকাগুলোতে সম্প্রতি অত্যন্ত জনাকীর্ণ হয়ে পড়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বিপুল সংখ্যক ওমরাহ যাত্রী এবং তাদের পরিবহনকারী যানবাহনের সমাগমে হারাম এলাকায় চলাচল অত্যন্ত কষ্টসাধ্য এবং সময় সাপেক্ষ হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে প্রথমবার সৌদি আরবে আগত ওমরাযাত্রীরা অধিকতর সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এতে বলা হয়, ১৪৪৩ হজ পরবর্তী কয়েক মাসে ১২৩ জন বাংলাদেশি ওমরাযাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন এবং অসংখ্য ওমরাযাত্রী হারিয়ে যাওয়া বা নিখোঁজ হওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে।

“হারিয়ে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ওমরাযাত্রীরা গাইডের নিয়ন্ত্রণে গ্রুপে চলাচল না করে একাই চলাচলের চেষ্টা করায় এমন ঘটনা ঘটেছে। ওমরাযাত্রীরা হোটেল থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় অনেকক্ষেত্রেই নিজস্ব পাসপোর্ট সাথে রাখছেন না। তাছাড়া আবাসিক হোটেলের বা ওমরা কোম্পানির কোনো তথ্য সাথে না নিয়েই অনেক সময় হোটেল থেকে একাকি বেরিয়ে পড়ছেন এবং হোটেলে ফেরত না যেতে পেরে হারিয়ে যাচ্ছেন।”

হজ কাউন্সিলর জানিয়েছেন, হারিয়ে যাওয়া ওমরাযাত্রীদের খুঁজে পাওয়া যেমন দুরূহ, তেমনি হারানো ব্যক্তির কেউ সাক্ষাৎ পেলেও তাকে তার হোটেলে পৌঁছে দেয়াও কঠিন। হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের অনুসন্ধানের জন্য অনেকক্ষেত্রেই স্থানীয় থানায়, হাসপাতালে এবং অন্যান্য সম্ভাব্য স্থানে ভ্রমণ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ছে। “জেদ্দা থেকে মক্কা ও মদিনায় গমন করে স্বল্পসংখ্যক জনবল এবং সীমিত জ্বালানি দিয়ে এমন কার্যক্রম পরিচালনা করা দূরুহ হয়ে পড়ছে।’

জহিরুল ইসলাম বলেন, হারিয়ে যাওয়া ওমরাযাত্রীদের অভিভাবক, নিকটাত্মীয় ও পরিচিতজন এ কার্যালয়কে (হজ অফিস) হারানো ব্যক্তির অনুসন্ধানের জন্য নানারূপে চাপ সৃষ্টি করছেন এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে খুঁজে না পাওয়ার কারণে এ অফিসকে দায়ী করছেন। উল্লেখ্য যে, বছরব্যাপী এ ধরণের কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক অনুবাদক এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি বরাদ্দ নেই। ওমরাযাত্রী হারিয়ে যাওয়া প্রতিরোধে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে হারানো ওমরাযাত্রীর বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় জনবল এবং জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন’ বলে চিঠিতে জানানো হয়।

ওমরাযাত্রীদের হারিয়ে যাওয়ার সংখ্যা কমাতে সুপারিশ তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়,ওমরাযাত্রীদের গ্রুপভিত্তিক সৌদি আরবে পাঠানো যেতে পারে। মক্কা, মদিনার রাস্তাঘাট চিনেন এবং আররি ভাষা বুঝেন এমন গাইড সঙ্গে থাকতে হবে। সৌদি আরবে আসার পর ওমরাযাত্রীদের স্থায়ী ঠিকানা, জরুরি যোগাযোগের মোবাইল নম্বর, মক্কা, মদিনায় আবাসিক হোটেলের ঠিকানা, ফোন/মোবাইল নম্বর, মক্কা ও মদিনায় ওমরা এজেন্সির প্রতিনিধির নাম ও মোবাইল নম্বর ইত্যাদি উল্লেখিত ছবিসহ আইডি কার্ড আবশ্যিকভাবে সার্বক্ষণিক সঙ্গে রাখতে হবে। পাসপোর্ট সাবধানতার সাথে সংরক্ষণ করতে হবে।

কোনো কারণে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ হজ্জ অফিসে যোগাযোগ করতে হবে এবং এক্ষেত্রে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল থেকে ট্রাভেল পারমিট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ১০৫ সৌদি রিয়াল ফি দিতে হবে বলেও চিঠিতে জানানো হয়।

একই সঙ্গে ওমরাযাত্রী মৃতু্যবরণ করলে লাশ সৌদি আরবে দাফন কিংবা দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার উপায়ও চিঠিতে জানিয়েছেন হজ কাউন্সিলর। বাংলাদেশ থেকে ওমরা পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যাওয়া ওমরাযাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ওমরাযাত্রীদের সার্বিক সেবা নিশ্চিতে জেদ্দার বাংলাদেশ হজ অফিসের জ্বালানি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।

গালফ এয়ারের পাইলট ক্যাপ্টেন মোহান্নাদ ইউসুফ আলহেন্দি ফ্লাইট নিয়ে বাংলাদেশে আসার পর অসুস্থ হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানে ভুল চিকিৎসা ও অবহেলায় মারা গেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন তার বোন তালা এলহেন্দি।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি। যদিও, এ ঘটনায় ৪৬ দিনেও কেন কোন মামলা হয়নি, কিংবা হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় পাইলটের শারীরিক অবস্থা জানাতে যোগাযোগ করা তার স্ত্রী ও অন্য ভাইয়েরা কেন ঢাকায় আসেননি, এবং কোন ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে এই অভিযোগ তুললেন তিনি, এই তিন প্রশ্নের যুৎসই কোন উত্তর দিতে পারেননি তালা এলহেন্দি।

তবে পুলিশের কাছে অভিযোগ না করলেও তালা জানান, বাংলাদেশে এসে ইউনাইটেড হাসপাতালের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে তাকে অসহযোগিতা করা হয় এবং দেরি করে কাগজপত্র দিলেও সেখানে জালিয়াতি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। যদিও সেসব মেডিকেল রিপোর্টের কোন কপিও গণমাধ্যমকে দেননি তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তালা এলহেন্দি ইউনাইটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে যথাযথ ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ন্যায়বিচার চান এবং ইউনাইটেড হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করারও দাবি জানান। এসময় গালফ এয়ারও সময় মতো মোহাম্মাদ ইউসুফ আলহেন্দির চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেনি বলেও দাবি করেন তার বোন।

পাইলট ক্যাপ্টেন মোহান্নাদ ইউসুফ আলহেন্দি। ফাইল ছবি।

তালা এলহেন্দি বলেন, আমরা ভাই-বোন দুজনই যুক্তরাষ্ট্র ও জর্ডানের দ্বৈত নাগরিক। ভাই ইউসুফ আলহেন্দি গলফ এয়ারের পাইলট ছিলেন, আর বোন তালা আলহেন্দি  ব্রিটিশ সরকারের হয়ে কাজ করেন। ভাইয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর পর তিনি বাংলাদেশে ছুটে আসেন। খোঁজ-খবর নিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতাল ও গালফ এয়ার কর্তৃপক্ষের অবহেলার নানান প্রমাণ পেয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার দিন তার ভাই ঢাকার মেরিডিয়ান হোটেলে ছিলেন। খুব সকালে তার গালফ এয়ারের ফ্লাইট পরিচালনার কথা ছিল। রাত পৌনে তিনটায় ঘুম থেকে উঠে তিনি ফ্লাইটের জন্য প্রস্তুত হন। এরপর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি ইমিগ্রেশনের প্রক্রিয়া শুরু করেন। তখন সেখানে তিনি পড়ে যান এবং নিঃসাড় ছিলেন। তার কাছ থেকে কোনও সাড়া মেলেনি। বিমানবন্দরে আমার ভাইয়ের প্রথম কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। তখন তিনি পাঁচ মিনিট কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) পেয়েছেন। ক্রমশ তার রক্তচাপের অবনতি হতে থাকে। এরপর তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তালা আলহেন্দি বলেন, চিকিৎসা প্রক্রিয়ার সময় তাকে ওষুধ প্রয়োগ করে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছেন, আমার ভাইয়ের চিকিৎসা করেছেন ডা. কায়সার নাসির। কিন্তু আমার ভাইয়ের পরিবারের কাছে চিকিৎসার যে কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে তার নাম পাওয়া যায়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আমার ভাইয়ের অ্যাজমা ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে, তারা বলেছে যে, ভুল করে এটা বাদ পড়ে গেছে। ফোনে কার্ডিওলোজিস্টের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে। তিনি সশরীরে রোগীর কাছে উপস্থিত ছিলেন না।’

তালা আলহেন্দির বক্তব্য নিচে পুরোপুরি তুলে ধরা হলো-

তিনি বলেন, ‘সকাল পৌনে ৬টায় আমার ভাইকে সিসিএমে স্থানান্তর করা হয়। এটির নাম কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিট। ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে সেখানে অন্তত একজন কার্ডিওলোজিস্ট ও তাৎক্ষণিক বিশেষ সেবা দেওয়ার দরকার ছিল। কিন্তু অদক্ষ চিকিৎসকরা অবহেলা করেছেন। কার্ডিওলোজি কেয়ারের জন্য একটি ইউনিট করা হলেও সেখানে কোনও কার্ডিওলোজিস্ট ছিলেন না।

সকাল পৌনে ৭টায় দ্বিতীয় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় আমার ভাইয়ের। ২০ মিনিট পর তৃতীয় কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট করেন তিনি। দুই ঘণ্টার ব্যবধানে আমার ভাইয়ের তিন বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। কোনও কার্ডিওলোজিস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ঢাকা শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিশেষজ্ঞ ইউনিট আবার ব্যর্থ হয়েছে। যা সিসিএম কর্মীদের নিছক ও চরম অবহেলা ছাড়া কিছু না।

তারা একমাত্র যে পদক্ষেপটি নিয়েছে তা হলো— আরিএসসি-এর সঙ্গে ১৫ মিনিট সিপিআর করেছে। আমার ভাই তৃতীয়বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট করলে সোয়া দুই ঘণ্টা পর্যন্ত তাকে কোনও চিকিৎসা সেবা ছাড়াই ফেলে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ তিনি সঠিক চিকিৎসাবঞ্চিত ছিলেন। কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্ট ট্রিটমেন্টের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর চিকিৎসক আমার ভাইকে হেপারিন সোডিয়াম ৫০০০ আইইউ  ইনজেকশন দিয়েছেন।

রক্তজমাট বাধা বন্ধ করতে এটি দেওয়া হয়। এতে আরও পরিষ্কার হয়ে উঠেছে যে, রোগীর চিকিৎসায় সেখানে কোনও কার্ডিওলোজিস্ট ছিলেন না। কাজেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বাদে সাধারণ কর্মীদের পরামর্শ ছিল চরম অবহেলা, বলেন তিনি। নিহত পাইলট ইউসুফের বোন বলেন, আমি পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে পেয়েছি যে, সিসিটিভি ফুটেজ ও হাসপাতালের কাগজপত্রে কারসাজি করা হয়েছে। এছাড়া আমি যখন অনুসন্ধান করছিলাম, তখন হাসপাতালের কর্মীরাও আমাকে ভয় দেখিয়েছেন।

২০২৩ সালের ২৬ জানুয়ারি ইউনাইটেড হাসপাতালের কাছে আমি চিকিৎসার কাগজপত্র ও সিসিটিভির ফুটেজ দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রমাণাদি কারসাজি করতে তারা এসব দিতে তিন দিন সময় নিয়েছিলো। তিনি বলেন, তাদের কাছে যখন জানতে চাচ্ছিলাম, তখন তারা আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেন ও রূঢ় ব্যবহার করেন।

এরপর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি ও দূতাবাসকেও এ বিষয়ে জানানো হবে বললে তারা আমাকে বিস্তারিত কাগজপত্র দিয়েছেন। কিন্তু এ জন্য তারা তিন দিন সময় নিয়েছেন। এ সময়ে সব কাগজপত্র কারসাজি করা হয়েছে। তারা কোনও কোনও তথ্য গোপন করেন, আবার কোনোটি যুক্ত করেন। এসব কাগজপত্রকে তারা হাসপাতালের সম্পত্তি বলে দাবি করলেও তা অন্য চিকিৎসকের কাছে রয়েছে জানিয়ে আমাকে দিতে বিলম্ব করে।

তারা বলেছিল, ওই চিকিৎসকের ফুরসত মিললেই আমাকে কাগজপত্র জমা দেওয়া হবে। এভাবে তারা আমাকে তিন দিন অপেক্ষায় রেখেছেন। এমনকি দীর্ঘ বিলম্বের পরেও রোগীর হৃদকম্পন পরীক্ষার ২০টি পাতা দিয়েছে তারা আমাকে। কিন্তু তাতে সঠিক কার্ডিওলোজি রিপোর্ট কিংবা চিকিৎসার বিস্তারিত তথ্য ছিল না।’

বাংলাদেশ সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যে শাক-সবজি ও ফলমূল পাঠাতে পারবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, এরইমধ্যে দুবাই বন্দরের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এমন তথ্য দিয়েছেন। কৃষিপণ্য ও আলু রপ্তানির অগ্রগতি বিষয়ক সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি আমি দুবাই গিয়েছিলাম। এ নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে আগেই উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। আমরা তাতে সহায়তা করেছি। মধ্যপ্রাচ্যে সরাসরি আমরা শাক-সবজি ফলমূল পাঠাতে পারব।

“২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতির কাছে আমরা অঙ্গীকার করেছিলাম যে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলব। সত্যিকার অর্থে এখন মানুষ না-খেয়ে থাকে না। অন্তত দুবেলা ভাত খেতে পারেন। আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছি,” যোগ করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এখন আমাদের লক্ষ্য মানুষকে পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ খাদ্য দেয়া। অর্থাৎ সার্বিকভাবে খাদ্যনিরাপত্তার বিভিন্ন দিকগুলোতে আমরা জোর দেব এবং সর্বাত্মকভাবে আমরা তা বাস্তবায়ন করতে চাই। কৃষিমন্ত্রী জানান, খাদ্যনিরাপত্তা বলতে আমরা বুঝি যে প্রয়োজনীয় দানাজাতীয় ও অন্য খাবারগুলো যাতে বাজারে পর্যাপ্ত থাকে, তা নিশ্চিত করা।

অনেক সময় খাবার থাকলেও আয় থাকে না। কম আয়ের কারণে অনেক মানুষ না খেয়ে থাকেন। এমন হলে কোনো দেশ নিজেকে খাদ্য নিরাপদ বলে দাবি করতে পারে না। “কাজেই মানুষ যাতে মানসম্মত ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন, যাতে সবাই প্রয়োজনীয় মেধা বিকাশ ও সক্রিয় থাকতে পারেন, সে জন্য পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে বলেন মন্ত্রী।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য রফতানি করতে হলে মান বাড়াতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শ্যামপুরে আমাদের একটি প্যাকিং হাউস আছে। কিন্তু লোকেশন ভালো না। এটির আধুনিকায়ন চলছে। পূর্বাচলে আরেকটি প্যাকিং হাউস করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই একর জমি দিয়েছেন। সেখানে একটি ল্যাবরেটরিও হবে। এটির সার্বিক পরিকল্পনা শেষ। দ্রুতই এটি একনেকে যাবে। তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করতে পারব বলে আশা করছি।

আন্তর্জাতিক বাজারে কৃষি রফতানির পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য কৃষিপণ্য রফতানিতে আমাদের প্রতিযোগী পাকিস্তান, ভারত ও তুরস্ক। ভারত আলু রফতানি করে। এসব দেশের পণ্যবাহী জাহাজ সরাসরি দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের বন্দরগুলোতে যেতে পারে। কিন্তু আমাদের জাহাজ সিঙ্গাপুর হয়ে যেতে হয়। “সম্প্রতি দুবাই বন্দরের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা হয়েছে। সিঙ্গাপুর না হয়ে সরাসরি যেতে পারলে সবজি নিয়ে চার-পাঁচদিনে আমাদের জাহাজ দুবাই যেতে পারবে।”