জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে মাসব্যাপী জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার (১৮ জুলাই) প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেসিস্টেন্স ডে’-তে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সন্ধ্যা ০৬ টায় রাজধানীর হাতিরঝিল অ্যাম্পিথিয়েটারে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, জুলাইয়ের গান ও ড্রোন শো প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

অনুষ্ঠানে ‘ হিরোস উইদাউট কেপস: প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ইন জুলাই’ ‘ইউ ফেইলড টু কিল আবরার ফাহাদ’, চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

এরপর জুলাইয়ের গান গেয়ে শোনান শিল্পী সেজান, তাশফি ও সানি এবং ব্যান্ডদল- রেপার কালেক্টিভ ও আর্টসেল।

জুলাইয়ের গান শেষে প্রদর্শিত হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও প্রিলিউডভিত্তিক মনোমুগ্ধকর ‘ড্রোন শো’।

অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, কর্মকর্তাসহ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

নারী, মহাবিশ্ব, তার অন্তহীন অসীমতা, লিটন করের ক্যানভাসে আত্মার রেখাচিত্র।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) থেকে ঢাকার আঁলিয়াস ফ্রসেসে শুরু হয়েছে শিল্পী লিটন করের একক চিত্র প্রদর্শনী। এদিন বিকেল সাড়ে ৫টায় এই বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন হয়।

এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঁলিয়স ফ্রঁসেজ ঢাকার পরিচালক ফ্রঁসোয়া ঘ্রোজ, প্রফেসর ও শিল্পী ফরিদা জামান, সিটি ব্যাংকের এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিফ অপারেটিং অফিসার মাহিয়া জুনেদ, মারুখ মহিউদ্দিন, নিশাত মজুমদার।

‘নারী, মহাবিশ্ব – তার অন্তহীন অসীমতা’ এই শিরোনামে প্রদর্শনীটি ২৬ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায় লিটন করেরে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আইসিইউ’ এর প্রদর্শনীও থাকবে।

লিটন কর জানান, তেল রঙের ২৫টি চিত্রকর্ম এই প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে।

‘পরিবেশ সংরক্ষণ আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম। ক্রমাগত পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত এই বিষয়টির প্রতি বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি নিবদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন।

১৯৭২ সালে স্টকহোমে অনুষ্ঠিত স্টকহোম কনফারেন্স অন হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট এর মধ্য দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণে আন্তজাতিক সহযোগিতামূলক কার্যক্রমের সূচনা হয়। ১৯৭২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত আর্থ সামিটের মাধ্যমে এই প্রচেষ্টার একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হয়।

বৈশ্বিক পরিবেশগত সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ স্থানীয় ও আঞ্চলিক সমস্যার শিকার। বাংলাদেশ প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এবং মানুষের দ্বারা সৃষ্ট উভয় পরিবেশগত সমস্যার মুখোমুখি। অতিরিক্ত জনসংখ্যা এবং দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।বাংলাদেশ যে সকল পরিবেশগত সমস্যার মুখোমুখি  হচ্ছে তা হল: বন উজাড়, পানি দূষণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জমির অবক্ষয়, লবণাক্ততা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, অপরিকল্পিত পয়ঃনিষ্কাশন ও শিল্পবর্জ্য নিষ্কাশন ইত্যাদি।

১৯৭২ সালে স্টকহোম কনফারেন্স অন হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট এর পরপরই বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে প্রথম পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্যোগ  গ্রহণ করা হয়। স্টকহোম সম্মেলনের ফলোআপ পদক্ষেপ হিসেবে, বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে ২৭ জন জনবল দিয়ে পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু করে এবং পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৭৩ জারি করে । পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রমের মাধ্যমে ইহা বর্তমান পর্যায়ে উপনীত হয় ।


১৯৭৭ সালে, পরিকল্পনা কমিশনের একজন সদস্যের নেতৃত্বে ১৬ জন সদস্য নিয়ে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড এবং ২৬ জন জনবলসহ একজন পরিচালকের নেতৃত্বে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ সেল প্রতিষ্ঠিত হয়।

পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ১৯৮৯ সালে দূষণ নিয়ন্ত্রণ সেল ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প সমন্বিত করে  মহাপরিচালকের নেতৃত্বে পরিবেশ অধিদপ্তর  নামে পূর্নগঠন করা হয় । পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত থাকলেও ইহার অফিস কেবল মাত্র বিভাগীয় সদরে অবস্থিত ছিল।

পরবর্তীতে ২০০৯ সালে ২১টি জেলায় এবং ২০১৯ সালে সকল জেলায় কার্যালয় স্থাপনের নিমিত্তে সাংগঠনিক কাঠামোর অনুমোদন পায় এবং কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদিত জনবলের সংখ্যা ১১৩৩।’

সূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তর।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সপ্তাহব্যাপী প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ই জুলাই) এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। এ কর্মসূচির আওতায় ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হলে ১৫ই জুলাই থেকে ২১শে জুলাই পর্যন্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে।

সপ্তাহব্যাপী এই প্রদর্শনীর প্রথম দিনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) প্রযোজিত ‘সময়ের বীর শহিদ তানভীর’ এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ নির্মিত ‘দ্য মনসুন রেভুলেশন’ প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীতে গ্লোবাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় ২০০ জন উপস্থিত ছিলেন।

প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে গণঅভ্যুত্থানকেন্দ্রিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করার জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

ইবি/একে

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, মাদ্রাসায় আরবির পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা চর্চায় জোর দিতে হবে। এ ভাষায় পারদর্শীতা অর্জন করতে পারলে শিক্ষার্থীরা বহির্বিশ্বের উপযোগী হয়ে উঠবে এবং দেশে-বিদেশে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) চট্টগ্রামের পটিয়ায় শাহচান্দ আউলিয়া মাদ্রাসার সভাকক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ভাষা শিখলে ডাক্তার, প্রকৌশলী, শিক্ষক, গবেষক, তথ্যপ্রযুক্তিবিদসহ বিভিন্ন পেশায় নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে পারবে। এ ভাষা জানা থাকলে শিক্ষার্থীরা আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও ইসলামের মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে পারবে এবং ইসলাম ধর্মকে বিশ্বে তুলে ধরতে পারবে।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সাইফুদ্দিন খালিদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক সরকার সরোয়ার আলম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী ফারহানুর রহমানসহ মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইবি/একে

পানি সম্পদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজনকে যদি সফল করতে হয়, কার্যকর করতে হয় সেক্ষেত্রে আবহাওয়া এবং জলবায়ু সম্পর্কে আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস যত বেশি স্মার্ট করা যায় এখানেই আমাদের সরকারকে অনেকটা টাকা বিনিয়োগ করতে হবে করতে হবে। অর্থ, মেধা, শ্রম সবই  বিনিয়োগ করতে হবে।  যোগাযোগ বাড়াতে হবে, নেটওয়ার্কিং করতে হবে। কারণ আপনি যদি সত্যিকার অর্থে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় প্রস্তুতি রাখতে চান তাহলে এখানেই আমাদের প্রধান কাজ হতে পারে। এখানে আমাদেরকে অবশ্যই বিনিয়োগ করতে হবে। দুর্যোগ প্রস্তুতিটাকে আমাদেরকে সত্যিকার অর্থেই শক্তিশালী করতে হবে।

উপদেষ্টা সোমবার (১৪ জুলাই) ঢাকায় চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ এ সিগনিফিকেন্ট স্টেপ ফরওয়ার্ড ইন ফ্লাড প্রিপেয়ার্ডনেসঃ দ্যা অফিসিয়াল লঞ্চ অফ দ্যা ফ্লাড ফোরকাস্টিং এন্ড ওয়ার্নিং সেন্টার’স (এফএফডব্লিউসি) আপগ্রেডেড ওয়েবসাইট এন্ড ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেম’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের পরিবর্তিত বাস্তবতায় ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেয়ার একটা উপায় হচ্ছে সতর্কবার্তাগুলো দেয়ার ক্ষেত্রে এক্সিলেন্স গড়ে তোলা।