তিন দিন পেরিয়ে পর্যবেক্ষণ শেষ হতে চললেও এখনও বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়। মঙ্গলবার (১৪ জুন) বিকেলে মেডিকেল বোর্ড বৈঠক করে পরবর্তি সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন বেগম জিয়ার চিকিৎসকরা। তার শারীরিক অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় হার্টের অন্য দুটি ব্লকের বিষয়ে এখনই কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না বলে জানান চিকিৎসকরা।

হার্টের জটিলতা নিয়ে গত শনিবার মধ্য রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ধরা পড়ে, মাইল্ড স্ট্রোক করেছেন তিনি। এরপর হার্টের বাম দিকে একটি একটি ব্লকে রিং পরান চিকিৎসকরা। তাকে রাখা হয় ৭২ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে।

এদিকে করোনারী কেয়ার ইউনিট-সিসিইউতে থাকার কারণে এখনও বেগম জিয়া স্থিতিশীল নয় বলে জানান তার চিকিৎসকরা। সে বিষয়ে এখনই কোন সিদ্ধান্ত নিতে রাজি নন তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড। বিকেল ৫টায় বৈঠকের পর নেয়া হবে পরবর্তি সিদ্ধান্ত, এমনটাই জানিয়েছেন তারা।

দীর্ঘদিন ধনে আর্থাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনী লিভার সিরোসিস সহ নানা রোগে ভুগছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দুর্নীতির দুই মামলায় সাজা স্থগিত করে সাময়িক মুক্তির পর এ নিয়ে চার দফায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

শিল্পাঞ্চল হিসেবে খ্যাত খুলনাকে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পাঞ্চলে পরিণত করতে খুলনায় হাইটেক পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এ পার্কটি প্রতিষ্ঠিত হলে প্রযুক্তিভিত্তিক স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে খুলনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তরুন প্রজন্মের কর্মসংস্থান ও বাংলাদেশকে শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞান- নির্ভর, উন্নত অর্থনীতির স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) খুলনা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আইসিটি বিভাগের হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে খুলনা আইটি পার্ক” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন তরুণদের কর্মসংস্থানের ঠিকানা এবং ৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের চালিকা শক্তি হবে খুলনা হাইটেক পার্ক।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা সিটি কর্পোরেশন মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, খুলনায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত সহকারী হাইকমিশনার অসীম কুমার সানতা ও জেলা প্রশাসক মো মনিরুজ্জামান তালুকদার।

ফাইল ছবি

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক খুলনায় হাই-টেক পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই হাই-টেক পার্ক খুলনার তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তি জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়ে নিজেদের আত্মকর্মসংস্থান এবং পাশাপাশি উদ্ভাবনী কাজে আত্মনিয়োগ করার সুযোগ সৃষ্টি হল। খুলনার আর্থ-সামাজিক অবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বর্তমানে দেশের ১২টি জেলায় হাই-টেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পে ভারত সরকার আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে। এরই অংশ হিসেবে আজ খুলনায় হাইটেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রায় ১৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে খুলনা সদরের তুতপাড়ায় প্রায় ৪ একর জমিতে এই হাই-টেক পার্ক স্থাপনের কাজ শেষ হলে এখানে প্রায় তিন হাজার জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

চলতি অর্থবছর শেষে ২০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। কোন দেশের ট্রেড ব্যালেন্স স্বাভাবিক না থাকলে অশনী হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশ স্থিতিশীল পর্যায় রয়েছে বলেও জানান গভর্ন।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃ ক রেমিট্যান্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান এসব জানান তিনি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. শেখ মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ বলেন, অবৈধভাবে বিদেশ থেকে টাকা পাঠালে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন হয়। তাই ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানোর সব ধরণের সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে নতুন দেশগুলোতে কাজ করতে হবে প্রবাসীদের জন্য। –

অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুল সালেহীন বলেন, যারা কষ্ট করে আয় করে দেশের উন্নয়নে এত সহায়তা করছে, সে সমস্ত প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকগুলোকে কাজ করার আহবান জানান।

রেমিট্যান্স আহরণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানান, নানাভাবে বিদেশে সেবা দেয়া হচ্ছে। প্রবাসীদের আরো কতটা কাছে গিয়ে সেবা দেয়া যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করতে হবে। এসময় হুন্ডি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানায় প্রতিষ্ঠানগুলো। মানি এক্সচেঞ্জ রেট নিয়ে অস্থিরতা কমাতে দেশভিত্তিক রেট নির্ধারণের দাবি জানায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা।

এ সময় অ্যাওয়ার্ড পাওয়া প্রবাসী ব্যবসায়ীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসী, ব্যবসায়ী, তাদের পরিবার, বিভিন্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ১৬টি জেলার ওপর দিয়ে ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে এসব এলাকার নদীবন্দরকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব জেলার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ঝড়ের প্রভাব দেশের অন্যান্য কয়েকটি জেলায় পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে অন্যত্র ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে আবারো ৭ম স্থানে বাংলাদেশ। ২০২১ সালে প্রবাসী আয় সম্পর্কিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ছয়ে থাকা দেশগুলো হচ্ছে-ভারত, মেক্সিকো, চীন, ফিলিপাইন, মিশর ও পাকিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তানের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান।

মঙ্গলবার (১০ মে) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালে বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ মাত্র ২.২ শতাংশ (২২ বিলিয়ন ডলার) প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, মূলত সরকারি প্রণোদনা ও দেশে পরিবারের কাছে অর্থ পাঠানোর কারণে এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রবৃদ্ধির হার হতে পারে মাত্র ২ শতাংশ।

চলতি বছর রোজার শুরুতে (মার্চ মাসে) প্রবাসী আয়ে ২৪ শতাংশ অতিক্রম করেছিল। এছাড়া গত ৮ মাসে দেশে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি কমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও জানুন- চলতি অর্থবছর প্রবাসী আয় কত?

২০২০ সালে করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়ার পর ২০২১ সালে ভারতের রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ বেড়ে ৮৯ বিলিয়ন ডলার হয়। অন্যদিকে পাকিস্তানে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ২০ শতাংশ বেড়ে ৩১ বিলিয়ন হয়।

প্রতিবেদনে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভারতে চলতি বছর (২০২২ সালে) রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। অন্যদিকে পাকিস্তানে এ বছর রেমিট্যান্স ৮ শতাংশ বেড়ে ৩৪ বিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।



মন ভালো রাখার ক্ষেত্রে খাবার হতে পারে অন্যতম সঙ্গী। এক্ষেত্রে খাবার মস্তিষ্কে হ্যাপি হরমোনের পরিমাণ বাড়াতে পারে। এই ধরনের খাবারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ডিম, বেরি জাতীয় ফল ইত্যাদি।

আমাদের প্রতিদিনের জীবনে চলার পথে খাবার হল অন্যতম সঙ্গী। খাবার আমাদের প্রধান জ্বালানীও বটে। খাবার থেকে সংগৃহীত শক্তির মাধ্যমেই আমরা জীবনে এগিয়ে যেতে পারি। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই নিজের ডায়েট নিয়ে হতে হবে সচতেন।

এবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমাদের গোটা দেহের পাশাপাশি মস্তিষ্কেরও লাগে নির্দিষ্ট কিছু উপাদান। আর এই উপাদনের বেশিরভাগ অংশই আমরা খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করে থাকি। এমনকী দেখা গিয়েছে, আপনি কতটা খুশি থাকতে পারেন, তা অনেকটাই নির্ভর করে আপনার ডায়েটের (Diet) উপর। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়টি নিয়ে হতে হবে সতর্ক।

এবার জানা যাক ঠিক কোন কোন খাবার হতে পারে মন ভালো রাখার সহযোগি-

​মৌসুমী ফল ও বেরি

মৌসুমী যে কোনও ফল খেলে শরীর ভালো হতে পারে। এমনকী মন ভালো করতেও পারে। তবে সবথেকে ভালো ফল মিলতে পারে বেরি (Berries) জাতীয় ফল খেতে পারলে। এক্ষেত্রে বেশিরভাগ ফলেই ভালো পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Antioxidant) থাকে।

এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের বিশেষ কিছু সমস্যার করতে পারে সমাধান। এমনকী মনের ভিতর ভালো কিছু হরমোন বের হয় ফল খেলে।

​স্বাস্থ্যকর তেল

মানুষের স্বাস্থ্য বিগড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই তেলকে দায়ী করেন। এক্ষেত্রে তেল খেলে হার্ট খারাপ হয় বলেই সকলে জানেন। তবে সব তেলকে কিন্তু এভাবে ভিলেনের মতো করে দেখলে চলবে না। বরং কিছু তেল শরীর ও মনের জন্য উপকারী হতে পারে।

এক্ষেত্রে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ তেল ব্যবহার করতে হবে। এবার অলিভ তেল সবথেকে ভালো বিকল্প হতে পারে। তাই মনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইল আপনি খেয়ে নিন এই তেলের রান্না।

​ডিম

আমাদের প্রায় প্রতিটি মানুষের বাড়িতেই পৌঁছে যায় এই ডিম (Egg)। তবে এরপরও অনেকেই এই খাদ্যকে মানুষ তেমন পাত্তা দিয়ে চলেন না। তবে জানলে অবাক হয়ে যাবেন যে ডিমও আমাদের মন ভালো রাখার ক্ষেত্রে অন্যতম কার্যকরী খাদ্য হতে পারে।

মূলত ডিমের মধ্যে রয়েছে ভালো পরিমাণে ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12), ফলেট, প্রোটিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। এই প্রতিটি খাদ্যই মস্তিষ্কের জন্য ভীষণভাবে প্রয়োজনীয়। এছাড়া ডিমের কুসুমে থাকে ভালো পরিমাণে ক্যারোটিনয়েডস (Carotenoids)। এই ক্যারোটিনয়েডস আপনার সদর্থক চিন্তা বাড়িয়ে দিতে পারে

​কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত খাবার

গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) বিষয়টি পুষ্টিবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে খুবই প্রয়োজনীয়। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকার অর্থ হল এই খাদ্য আপনার শরীরে দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে সুগার লেভেল (Increase Sugar Level)। দেখা গেছে, আপনি গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকা খাবার খেলে ঘুম আসতে শুরু করে। তাই প্রতিটি মানুষকে বলা হয়, কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স রয়েছে এমন খাবার থেকে। এবার ওটস, ডালিয়া, শাক ইত্যাদি হল কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স যুক্ত খাবার।

​ডার্ক চকোলেট

চকোলেট খেতে প্রায় প্রতিটি মানুষই ভালোবাসেন। এক্ষেত্রে চকোলেটও মুড ভালো রাখতে পারে। তবে সবধরনের চকোলেটের মধ্যে ডার্ক চকোলেট মুড ভালো রাখার কাজে বেশি কার্যকরী হতে পারে। চকোলেটের মধ্যে থাকা সুগার মস্তিষ্কে এন্ডরফিনের মাত্রাও বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে মন ভালো থাকে। তাই আর চিন্তা নেই।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।  

রোববার (২৮ মার্চ) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ১৭ সদস্যের টাস্কফোর্স কমিটি গঠনসংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।

সব নিত্যপণ্যের উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বাজারে সরবরাহ ও দাম পর্যালোচনা করে পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নিতে এ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।  

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাজার মনিটরিং কমিটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করবে। প্রতিমাসে কমপক্ষে একটি সভা করবে কমিটি।

এই কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, কৃষিসচিব, খাদ্যসচিব, শিল্পসচিব, তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক সচিব, ট্রেড অ্যান্ড ট্রিকস কমিশনের চেয়ারম্যান, প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতেরের মহাপরিচালক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক, এনএসআইয়ের মহাপরিচালক, টিসিবির চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই সভাপতি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্মসচিব।